বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে কয়লা অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য এশিয়া এনার্জি কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) প্রোপ্রাইটরি লিমিটেডের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের চুক্তি রয়েছে। চুক্তিটি (১১/সি-৯৪) মূলত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খনি কোম্পানি বিএইচপি (বর্তমানে বিএইচপি বিলিটন)-এর সঙ্গে ১৯৯৪ সালের ২০ আগস্ট স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটি তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিএনপি সরকারের সময়ে অনুমোদিত হয়।
পরবর্তীতে বিএইচপি-র সঙ্গে স্বাক্ষরিত লাইসেন্স ও চুক্তি হস্তান্তরে ১৯৯৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সরকার ও এশিয়া এনার্জির মধ্যে ‘হস্তান্তর চুক্তি’ (Assignment Agreement) স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি ১১/সি-৯৪: বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে কয়লা অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য
মূল চুক্তি (স্বাক্ষরিত: ২০ আগষ্ট ১৯৯৪):
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং বিএইচপি মিনারেলস ইন্টারন্যাশনাল এক্সপ্লোরেশন ইনক. এর মধ্যে স্বাক্ষরিত।
হস্তান্তর চুক্তি (স্বাক্ষরিত: ১১ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৮):
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পক্ষে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক এবং এশিয়া এনার্জি (বাংলাদেশ) প্রোপ্রাইটরি লিমিটেড এর মধ্যে স্বাক্ষরিত।
এশিয়া এনার্জির লাইসেন্স ও লীজ
চুক্তির (হস্তান্তর চুক্তি) আওতায় ১১ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৮ তারিখে কয়লা অনুসন্ধান লাইসেন্স ‘বি’ ও ‘জি’ এলাকা এশিয়া এনার্জির নিকট হস্তান্তর করা হয় এবং ১৫ আগষ্ট ২০০২ তারিখে ‘এইচ’ এলাকার জন্য অনুসন্ধান লাইসেন্স প্রদান করা হয়। ১১ মার্চ ২০০৪ তারিখে ‘বি’ এলাকার খনি ইজারা অনুমোদন করা হয়।
১০ জুন ২০০৪ তারিখে এশিয়া এনার্জি উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন প্রক্রিয়ায় উপরিস্থ বালি-শিলা (Overburden Materials) থেকে সম্ভাব্য যেসব সহ-খনিজ সম্পদ (Co-products) যেমন: উন্নতমানের কাঁচবালি (Silica Sand), কেওলিন ক্লে (Kaolin Clay), নুড়িপাথর পাওয়া যেতে পারে তা উত্তোলনের আবেদন করে।
এশিয়া এনার্জি ১০ মে ২০০৪ তারিখে প্রকল্প এলাকার অন্তর্ভুক্ত অনুসন্ধান লাইসেন্স ‘আই’, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০০৫ তারিখে অনুসন্ধান লাইসেন্স ‘টি’ এবং ২৬ এপ্রিল ২০০৫ তারিখে খনি ইজারা ‘ইউ’ এর জন্য সরকারের কাছে আবেদন করে এবং ১৮ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে ‘জি’ ও ‘এইচ’ এলাকাকে খনি ইজারায় রূপান্তরেরও আবেদন জানিয়েছে।
| লাইসেন্স এলাকাসমূহ | এলাকা (হেক্টর) |
|---|---|
| খনি ইজারা এলাকা ‘বি’ | ১,৯২১ |
| অনুসন্ধান লাইসেন্স এলাকা ‘এইচ’; খনি ইজারায় রূপান্তরের জন্য আবেদনকৃত | ২,১১২ |
| অনুসন্ধান লাইসেন্স এলাকা ‘জি’ খনি উন্নয়ন ও অবকাঠামোর জন্য; খনি ইজারায় রূপান্তরের জন্য আবেদনকৃত | ১,৪৪৭ |
| অনুসন্ধান লাইসেন্স এলাকা ‘আই’ খনি উন্নয়ন ও ফুলবাড়ী কয়লা ক্ষেত্রের সম্ভাব্য সম্প্রসারণের জন্য আবেদনকৃত | ১০,৩৭১ |
| অনুসন্ধান লাইসেন্স এলাকা ‘টি’ খনি উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় আচ্ছাদন শিলাস্তর সংরক্ষণ (Overburden Dump) ও অবকাঠামোর প্রয়োজনে আবেদনকৃত | ১,৭৭৫ |
| অনুসন্ধান লাইসেন্স ‘জে’ হতে ‘কিউ’ আচ্ছাদন শিলাস্তর (Overburden Materials) থেকে বিভিন্ন সম্ভাবনাময় সহ-সম্পদ আহরনের জন্য আবেদনকৃত | বর্তমান প্রকল্প এলাকা |
| খনি ইজারা এলাকা ‘ইউ’আবেদনকৃত | ২৮৬ |